ক্রিকেট বেটিংয়ের সাথে এখন বিশাল জ্যাকপট পুরস্কার। skycric-এ নিবন্ধন করুন এবং প্রগ্রেসিভ জ্যাকপট গেমগুলোতে অংশ নিয়ে জীবন বদলে দেওয়ার সুযোগ নিন।
এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় জ্যাকপট পুল যেগুলোতে আপনি অংশ নিতে পারবেন
skycric-এর সবচেয়ে বড় প্রগ্রেসিভ জ্যাকপট। প্রতিটি বেটের একটি অংশ এই পুলে যোগ হয়, যা একজন ভাগ্যবান বিজয়ী পুরোটা পাবেন।
প্রতিদিন রাত ১২টায় রিসেট হয়। দিনের শেষে যিনি সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট অর্জন করবেন তিনি পুরো পুল জিতবেন।
প্রতি সপ্তাহে গ্যারান্টিড ৳১৫ লাখের পুরস্কার। সপ্তাহের সেরা পারফর্মারদের মধ্যে পুরস্কার ভাগ করা হয়।
প্রতিদিন বিনামূল্যে একটি স্পিনের সুযোগ পাবেন। ডিপোজিট করলে অতিরিক্ত স্পিন পাবেন এবং জ্যাকপট জেতার সম্ভাবনা বাড়বে।
চলমান ক্রিকেট ম্যাচের উপর সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করুন এবং বিশেষ ম্যাচ জ্যাকপট জেতার সুযোগ পান।
মাসের শেষে একজন মাত্র বিজয়ী পাবেন ৳২৫ লাখ। সারা মাস ধরে পয়েন্ট সংগ্রহ করুন এবং শীর্ষে থাকুন।
মাত্র চারটি সহজ ধাপে শুরু করুন
skycric-এ বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন। মোবাইল নম্বর দিয়ে মাত্র ২ মিনিটে সম্পন্ন হবে।
বিকাশ, নগদ বা রকেটে সহজে ডিপোজিট করুন। সর্বনিম্ন ৳৫০ থেকে শুরু।
পছন্দের জ্যাকপট গেমটি বেছে নিন এবং আপনার বেট বা টিকিট কিনুন।
ভাগ্য প্রসন্ন হলে জ্যাকপট জিতবেন এবং পুরস্কার সরাসরি আপনার ওয়ালেটে আসবে।
গত ৩০ দিনে skycric জ্যাকপটে যারা বড় পুরস্কার পেয়েছেন তাদের কয়েকজন:
| অবস্থান | বিজয়ীর নাম | শহর | গেম | পুরস্কার | তারিখ |
|---|---|---|---|---|---|
| ১ম | Md. R***ul | চট্টগ্রাম | মেগা ক্রিকেট জ্যাকপট | ৳১৫,৭৫,০০০ | ১৫ জুলাই ২০২৬ |
| ২য় | Farida B***m | ঢাকা | মান্থলি সুপার জ্যাকপট | ৳৮,৫০,০০০ | ১০ জুলাই ২০২৬ |
| ৩য় | Karim U***n | সিলেট | ডেইলি ক্রিকেট জ্যাকপট | ৳৫,৬০,০০০ | ৮ জুলাই ২০২৬ |
| ৪র্থ | Tanvir A***d | রাজশাহী | লাকি স্পিন জ্যাকপট | ৳৩,২০,০০০ | ৫ জুলাই ২০২৬ |
| ৫ম | Rina K***r | খুলনা | উইকলি মেগা পুল | ৳২,১০,০০০ | ২ জুলাই ২০২৬ |
| ৬ষ্ঠ | Hasan M***n | বরিশাল | ক্রিকেট ম্যাচ জ্যাকপট | ৳১,৮৫,০০০ | ২৮ জুন ২০২৬ |
বিজয়ীদের নাম গোপনীয়তার স্বার্থে আংশিক প্রদর্শিত হয়েছে। পুরস্কারের অর্থ বিজয়ীর ব্যালেন্সে তাৎক্ষণিকভাবে যোগ করা হয়েছে।
অনলাইন বেটিং জগতে জ্যাকপট শব্দটা শুনলেই মনে হয় এটা বুঝি শুধু ভাগ্যবানদের জন্য। কিন্তু skycric-এ জ্যাকপটের ব্যাপারটা একটু আলাদাভাবে ভাবা হয়েছে। এখানে শুধু ভাগ্যের উপর নির্ভর না করে দক্ষতা ও কৌশলও কাজে লাগানোর সুযোগ আছে। প্রতিটি জ্যাকপট গেমের কাঠামো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে নিয়মিত খেলোয়াড়রাও সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারেন।
বাংলাদেশে যারা ক্রিকেট ভালোবাসেন তাদের জন্য skycric-এর জ্যাকপট অফারটা বিশেষভাবে আকর্ষণীয়। ম্যাচ চলাকালীন সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারলে শুধু বেটের অর্থ নয়, বরং বিশাল জ্যাকপট পুলেরও অংশীদার হওয়া যায়। বিপিএল বা আইপিএলের মতো বড় টুর্নামেন্টের সময় এই পুলগুলো কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।
প্রগ্রেসিভ জ্যাকপট মানে হলো একটি পুল যেখানে প্রতিটি বেটের একটি ছোট অংশ যোগ হতে থাকে। যত বেশি মানুষ খেলে, পুলের পরিমাণ তত বাড়ে। skycric-এর মেগা ক্রিকেট জ্যাকপটে এই মুহূর্তে ১ কোটি ২৪ লাখেরও বেশি টাকা জমা আছে এবং প্রতি মিনিটে এই সংখ্যাটা বাড়ছে। এই পুলটি একজন বিজয়ী সম্পূর্ণ পাবেন – ভাগ করা হবে না। তাই যত বেশি দেরি করবেন, পুরস্কারটা অন্য কেউ নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।
অনেকেই ভাবেন কোটি টাকার জ্যাকপট জেতা বুঝি অসম্ভব। এই ভাবনা মাথায় রেখেই skycric ছোট ছোট দৈনিক ও সাপ্তাহিক জ্যাকপট রেখেছে। প্রতিদিন রাত ১২টায় রিসেট হওয়া ডেইলি জ্যাকপটে মাত্র ৳৫০ বেট করেই অংশ নেওয়া যায়। এই ধরনের জ্যাকপটে বিজয়ীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় জেতার সম্ভাবনাও তুলনামূলকভাবে বেশি। প্রতিদিন সন্ধ্যায় ড্র হয় এবং বিজয়ীর ব্যালেন্সে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ যোগ হয়।
skycric-এ নিবন্ধিত প্রতিটি সদস্য প্রতিদিন বিনামূল্যে একটি লাকি স্পিনের সুযোগ পান। এই স্পিন থেকে ক্যাশ পুরস্কার, ফ্রি বেট, বোনাস ক্রেডিট বা মূল জ্যাকপট পুলে প্রবেশাধিকার পাওয়া যায়। ডিপোজিট করলে অতিরিক্ত স্পিন পাওয়া যায় এবং জ্যাকপট জেতার সম্ভাবনা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এটা মূলত একটা বোনাস সুযোগ যা skycric তার সদস্যদের প্রতিদিন দিয়ে থাকে।
জ্যাকপট মানেই পুরোপুরি ভাগ্যের খেলা নয়। কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে জেতার সম্ভাবনা বাড়ানো যায়। প্রথমত, পুল যখন সবচেয়ে বড় থাকে তখন অংশ নিন কারণ তখন পুরস্কারের পরিমাণ সর্বোচ্চ। দ্বিতীয়ত, একটি বড় বেটের চেয়ে একাধিক ছোট বেটে অংশ নিলে জেতার সুযোগ বাড়ে। তৃতীয়ত, ডেইলি ফ্রি স্পিন কখনো মিস করবেন না কারণ এটা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। skycric-এর ভিআইপি সদস্যরা বাড়তি টিকিট পান যা জেতার সম্ভাবনা আরও বাড়িয়ে দেয়।
জ্যাকপট জিতলে অর্থ পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করতskycric-এ জ্যাকপট বিজয়ীরা বিকাশ, নগদ, রকেট বা উপায়ের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে উইথড্রয়াল করতে পারেন। ছোট পরিমাণ সাধারণত ১৫ মিনিটের মধ্যে পাঠানো হয়, আর বড় জ্যাকপটের ক্ষেত্রে কিছুটা যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর অর্থ পাঠানো হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়। অনেক বিজয়ী জানিয়েছেন যে তারা জেতার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের বিকাশে অর্থ পেয়েছেন।
বিপিএল, আইপিএল, এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপের সময় skycric-এর জ্যাকপট পুলগুলো সাধারণত দ্বিগুণ বা তিনগুণ হয়ে যায়। কারণ এই সময়ে খেলোয়াড়ের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায় এবং সেই সাথে পুলেও বেশি অর্থ জমা হয়। বড় টুর্নামেন্টের সময় skycric বিশেষ টুর্নামেন্ট জ্যাকপটও চালু করে যেখানে পুরস্কারের পরিমাণ আরও বেশি। তাই যারা বড় জ্যাকপট জেততে চান তাদের উচিত টুর্নামেন্ট সিজনে বেশি সক্রিয় থাকা।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ব্যবহারকারী স্মার্টফোন দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন এবং skycric-এর পুরো জ্যাকপট সিস্টেমটা মোবাইলে অত্যন্ত সহজে ব্যবহার করা যায়। অ্যাপটি হালকা, দ্রুত লোড হয় এবং কম ডেটা ব্যবহার করে। পুশ নোটিফিকেশন চালু রাখলে জ্যাকপট পুল নির্দিষ্ট পরিমাণে পৌঁছানোর সাথে সাথে জানিয়ে দেওয়া হয়। ড্র-এর ঠিক আগে বিজয়ীর ঘোষণার নোটিফিকেশনও সরাসরি ফোনে আসে।
জ্যাকপট অনেক মজার হলেও সীমা মেনে খেলাটা জরুরি। skycric সবসময় দায়িত্বশীল গেমিংয়ে বিশ্বাস করে। নিজের বাজেট ঠিক করুন এবং সেই সীমার বাইরে যাবেন না। জ্যাকপটে জেতা বা হারা দুটোই স্বাভাবিক – কোনো একদিন না জিতলে হতাশ না হয়ে পরের দিনের ফ্রি স্পিনের অপেক্ষায় থাকুন। মনে রাখবেন, জ্যা কপট একটি বিনোদন, জীবিকার উপায় নয়।
জ্যাকপট নিয়ে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলোর উত্তর
নিবন্ধন করুন এবং প্রথম দিনেই বিনামূল্যের স্পিন পান। হাজার হাজার বাংলাদেশি ইতিমধ্যে skycric জ্যাকপটে অংশ নিচ্ছেন।